মহেশখালীতে সন্ত্রাসী ফজল কাদেরের অস্ত্রের মহড়া জনমনে আতংক

ইনসেটে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ফজল কাদের

মহেশখালী প্রতিনিধিঃ মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নে হত্যাসহ প্রায় দেড়ডজন মামলার আসামির বিরুদ্ধে এই অস্ত্রের মহড়া দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে,এতে করে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় সাধারণ জনগণ, ধলঘাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ এমইউপি. বলেন, হত্যাসহ দেড়ডজন মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফজল কাদের সম্প্রতি এলাকায় ফিরে তার সবেক পেশা জলদস্যুতায় ফিরে যেতে শক্তি সঞ্চয় করছেন বেশ কয়েকদিন ধরে মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার জলদস্যুদের সংগঠিত ও প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার মত কাজে লিপ্ত হচ্ছে সাবেক এই তালিকাভুক্ত জলদস্যুর ৬টি মামলা বর্তমানে ট্রায়ালে রয়েছে

সন্ত্রাসী ফজল কাদেরের ব্যাপারে ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোক্তার আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মানিক বিরূপ মন্তব্য করে বলেন, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায় দলীয় সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য একটি হাইব্রিড শ্রেণি সৃস্টি হয়েছে, তারা বি এন পি জামায়াত ঘরণার এসব সন্ত্রাসীদের আশ্রয় পশ্রয় দিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বদ্ধ পরিকর।

ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবুল বলেন, সাবেক ইউনিয়ন জামাতের আমির মাওলানা জকরিয়ার ভাই সন্ত্রাসী ফজল কাদের এলাকায় ফিরে কিছু কুচক্রীমহলের যোগসাজশে জলদস্যুদের সংগঠিত করে অস্ত্র মহড়া দিচ্ছে তাকে এইরকম গর্হিত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বাহিনী ও র্যাবের যৌথ অভিযানপূর্বক তাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানায়।

সন্ত্রাসী ফজল কাদেরের নামে ট্রায়ালকৃত মামলাগুলো হলো।

√এসপিটি ২৭/১৩ইং স্পেশাল ট্রাই.-৩

√এসপিটি ১১৪/০৮ইং স্পেশাল ট্রাই.-২

√এসটি ৯৭/০১ ইং অতিরিক্ত দায়রাজজ

√এসটি ১৬১/০৪ইং যুগ্মজেলা জজ ১ম।

√ এসপিটি ১৯৭/১২ইং স্পেশাল ট্রাইব্যাল ১ম

ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনমত জরিপে এগিয়ে আহসান উল্লাহ বাচ্চু

স্টাফ রিপোর্ট: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে প্রতিটা ইউনিয়নে বাদ পড়েনি মহেশখালী উপজেলার উপকূলবষ্টিত ইউনিয়ন ধলঘাটাও, বর্তমান সরকারের করা মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর ও কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে ধলঘাটা ইউনিয়ন নির্বাচন, এলাকার লোকদের মাঝে চাপা আতংক ও গভীর আগ্রহ আগামী নির্বাচন নিয়ে তাদের ভাবনে সামনের নির্বাচনে নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে তাদের অগ্রগতি হবে নাকি আগের মত অবহেলিত হয়ে পড় রবে তাদের ভবিষ্যৎ?

এব্যাপারে সাধারণ মানুষের কৌতুহল মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চুকে ঘিরে। সরিতলার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মোনাফ বলেন, বাচ্চুর মধ্যে তারা ভবিষ্যতে ধলঘাটাবাসীর উন্নয়নের সম্ভবনা দেখতে পান। কারণ আহসান উল্লাহ বাচ্চুর পাঁচ বছর চেয়ারম্যান থাকাকালীন ধলঘাটার যে উন্নয়ন হয়েছে তা ধলঘাটায় আর কোন সময় হয়নি। আগামীতে আহসান উল্লাহ বাচ্চুই পারবে উন্নয়নে ধারাবাহিকতা রক্ষা ও ধলঘাটাবাসীর অধিকার আদায় করতে।

এলাকার ছাত্রসমাজের মধ্যে রয়েছে বাচ্চুর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তারা বলেন ধলঘাটার ছাত্ররা যারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে লেখাপড়া করেন তাদের প্রয়োজনে একমাত্র আহসান উল্লাহ বাচ্চুকেই কাছে পান। তার কাছে গিয়েই তারা নিজেদের সম্মানটুকু পান একজন্য ছাত্ররা সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে মিলে আহসান উল্লাহ বাচ্চুকে বিজয়ী করতে সচেষ্ট থাকবে বলে জানান।

একে একে কয়েকটি গাড়ি চলে গেল আবুল হোসেনের শরীরের ওপর দিয়ে

একে একে কয়েকটি গাড়ি চলে গেল আবুল হোসেনের শরীরের ওপর দিয়ে

সড়ক দুর্ঘটনায় বিমান স্টাফ মো. আবুল হোসেনের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বড়বাড়ি এলাকার গাছা রোডের মাথায় রাস্তা পারা পারের সময় ঢাকাগামী একটি অজ্ঞাত যাত্রীবাহী বাসচাপায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

বাস ও ঘাতক চালককে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আবুল হোসেন বাংলাদেশ বিমানের লোডার ট্রাফিক সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহতের বাড়ি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কুনিয়া তারগাছ এলাকায়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন জানান, বিমানের গাড়িতে আবুল হোসেন প্রতিদিন তার কর্মস্থল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেতেন। বুধবার অফিসের গাড়ি ফেল করায় আবুল হোসেন বাসে যাওয়ার জন্য মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এমন সময় দ্রুতগতিতে আসা ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়।

তিনি জানান, আবুল হোসেনের ওপর দিয়ে আরও কয়েকটি গাড়ি যাওয়ায় তার দেহটি ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। পরে পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নিহতের মরদেহ শনাক্ত করা হয়। সিসি ক্যামেরার ছবি দেখে ঘাতক বাসটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

ধুলাবালিতে মলিন মাস্টারদা’র ভাষ্কর্যটি ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করল মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ

মহসিন কলেজ প্রতিনিধিঃ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের মেধাবী ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দীনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক বিপ্লবী মাস্টার দা সূর্য সেন’র অবহেলিত ভাস্কর্য পরিষ্কার।

একটি মানুষ জীবনে দেশ কে ভালবেসে রাজনীতির প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে কত ত্যাগ করতে পারে তার জলন্ত দৃষ্টান্ত হল “”মাস্টার দা সূর্য সেন””
এই বীর বিপ্লবী, সংগ্রামী যোদ্ধাদের শিরোমনি, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক, মহাপুরুষ মাষ্টার দা সূর্য সেন। যিনি সশস্ত্র বিপ্লব করে উপমহাদেশের স্বাধীনতাকামী তরুনদের করেছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে উজ্জীবিত।
কিন্তু চট্টগ্রামের জে এম সেন হল সংলগ্ন স্থানে স্থাপিত এই মহান বিপ্লবীর ভাস্কর্য দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে অবহেলিত হয়ে।

সেই অবহেলিত ভাস্কর্য পুনঃজীবিত করতে এগিয়ে এসেছে মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের মেধাবী ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দীন ইমনের নেতৃত্বে একঝাঁক ছাত্রনেতৃবৃন্ধ।
বোরহান উদ্দিন ইমনের নেতৃত্বে পরিচালিত পরিষ্কার -পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে আরো উপস্থিত ছিলেন মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের মেধাবী ছাত্রনেতা নাঈমুল হক,সাইফুদ্দীন মুন্না,আকমাম বাপ্পি, নুরুল আবছার,কলিম উদ্দিন, ওশান,শাহরিয়ার আশফাক, জাহেদুল ইসলাম,আদনান আসিফ,ওয়াহিদুল ইসলাম,সাকিব,ইমরান হোসেন,সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ।

নিম্নমধ্যবিত্তের রাজনীতি

জুলফিকার আলী ভুট্টো:
রাজনীতিতে অাবেগের কোন স্থান নেই,,এতে অভিমান ও মানায় না,রাজনীতিতে শেষ বলে কোন কথা নেই,রাজনীতিতে অবসর নামে কোন কথা নেয়,জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত রাজনীতির কোন শেষ নেয়,যা নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা হাড়ে হাড়ে উপলব্দি করতে পারে।রাজনীতির শেষ ফলাফলটা কি, তা তারা ছাত্রজীবনের শেষ পর্যায়ে এসে বুঝতে পারে। আমি একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান,আমি জানি আমার মতো হাজার হাজার নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান রাজনীতির সাথে জড়িত, অামি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রতিনিধি হয়ে অামার বাস্তব অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করতে যাচ্ছি,ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন!
নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জন্য রাজনীতি অাসেনি,ওদের পড়ালেখা শেষ করে জিবিকার প্রয়োজনে একদিন সব রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ছেড়ে দিয়ে নেমে পড়তে হয় জিবিকার প্রয়োজনে,প্রতিভা থাকা সত্তেও একদিম সব ছেড়ে চলে যেতে হয় পরিবারের কথা চিন্তা করে, নিম্ন মধ্যবিত্ত সন্তানদের বিবেকটা বোধ হয় বেশি কাজ করে,বিবেকের তাড়নায় ওরা চাইলে সবকিছু করতে পারেনা, শুধু পারে সব মুখ বুজে সয্য করতে,নিম্ন মধ্যবিত্তের সন্তানরা যখন রাজনীতিকে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেনা তখন সমাজ বলে কি রাজনীতি করলা টাকা কামাইতে পারলানা,তাইলে রাজনীতি করে কি করলা,এ ভাল খারাপের মাঝখানে তাদের পড়ে থাকতে হয়, তাদের জীবনটা হয়ে পড়ে দুর্বিসহ,সে ভাবতে থাকে শ্যম নাকি কুল রাখি, ভাবতে ভাবতে একদিন অতিষ্ট হয়ে রাজনীতিবিদ হওয়ার সপ্ন ছেড়ে দিয়ে হয়ে পড়ে চাকরিজীবি,গলা টিপে হত্য করে তার সপ্নের,এভাবে একদিন পরিসমাপ্তি হয়ে যায় নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এর মতন জুলফিকার অালী ভুট্টুর রাজনীতিক ক্যারিয়ারের অাত্মকাহিনী!
লেখক :জুলফিকার অালী ভুট্টু
সাবেক যুগ্ন -অাহবায়ক, কুতুবদিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ ,
উপবিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক কুতুবদিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ,
ছাত্রনেতা:চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ,

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী শীষ্যের পক্ষ হয়ে গুরুর আবেদন

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী শিষ্য এর পক্ষে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন তারই গুরু চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এম কায়সার উদ্দীন আলোচিত স্ট্যাটাসটি হুবহো তুলে ধরা হলো..

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের বিকশিত নেতৃত্ব;

চট্টগ্রাম কলেজ যখন শিবির নিয়ন্ত্রিত ছিল তখন
জীবন ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে কলেজ থেকে শিবির বিতাড়িত করে দলের জন্য কাজ করে চলেছেন এখনই সঠিক সময় সেই ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করার…

ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারে জন্মগ্রহন করে স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে গ্রামের মেঠো পথে মাইলের পর মাইল হেঁটে ছাত্রলীগ করার জন্য মেধাবী ও নম্র-ভদ্র ছাত্রদের সংগ্রহ করতেন ছাত্রলীগের কর্মী ও জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে।শৈশব-কৈশোর আর যৌবনের মূল্যবান সময়টুকু ত্যাগ করে মুজিব প্রেম বুকে নিয়ে দিনের পর দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।সেই পরিশ্রম,যোগ্যতা ও মেধার জন্য তিনি হয়ে উঠেছেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক ছাত্রনেতা।ওয়ার্ড,ইউনিয়ন,উপজেলা স্কুল ও কলেজ থেকে বেড়ে উঠা নেতৃত্ব তারই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্র রাজনীতিতে অসীম সাহসিকতা বিচক্ষণতা ও মেধার প্রতিযোগিতায় এন্টি শিবির পলিটিক্স করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তৎকালীন কলেজ ছাত্রলীগের নেতা হয়েছিলেন তিনি।ব্যয় করছেন জীবনের মূল্যবান সময়টুকু।সৃষ্টি করেছেন দক্ষিণ চট্টলা ও কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ছাত্রলীগে মুজিব আদর্শের বিপ্লবী কর্মী।এমন কোন উপজেলা নেই যেখানে উনার কর্মী নেই।এখনো যার শ্লোগানে প্রকম্পিত হয় রাজপথ।মিছিলের অগ্রভাগে নয় পেছনে থেকে তিনি জন নন্দিত ছাত্রনেতা চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের ইতিহাসে অন্যতম আবিষ্কার কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক কমিটির গর্বিত সদস্য পরবর্তীতে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব সম্পাদন করে সকলের প্রিয় আনোয়ার হোছাইন।ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জেলা ছাত্রলীগে অনেক অছাত্র ও আদু ভাইয়েরা প্রার্থীতা ঘোষণা করলে তাদের বিপরীতে চব্বিশ বছরে পা দিয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী সম্মান(অনার্স) নিয়ে অধ্যয়ন করে চলেছেন।
প্রিয় নেত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের কথার সাথে বলতে চাই দলের কঠিন সময়ের ত্যাগী ছাত্রনেতাদের অবশ্যই মূল্যায়ন চাই।আগামীর কক্সবাজার জেলার ছাত্রজনতাকে সঠিক রাজনীতিতে পরিচালিত করার জন্য দক্ষ,মেধাবী ও ত্যাগী ছাত্রনেতা আনোয়ার হোছাইন কে প্রয়োজন।তাই তৃণমূলের দাবি আনোয়ার কে মূল্যায়ন করা হোক।তার হাতে তুলে দেওয়া হোক ছাত্রসমাজের নেতৃত্ব।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।

শোকের মাসে মহেশখালীতে ছাত্রনেতা আনোয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শোকের মাস আগস্ট মাস। আগস্ট এর ১৫ তারিখ মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকান্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধূর শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের লাঞ্ছিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, বাংলা ও বাঙালির হাজার বছরের আরাধ্য পুরুষ, বাঙালির নিরন্তন প্রেরণার চিরন্তন উৎস, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।যার কারনে প্রতিবছর বাংলাদেশে সম্মানের সাথে শোক দিবস পালন করা হয়।

এই শোকের মাসে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক প্রার্থী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহম্মদের ছোট ভাই আনোয়ার হোসাইন শোকের মাসে অসহায় ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক সহযোগিতা, এতিম খানায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং দারিদ্র রোগিদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন।

এরই ধারায় ২৮ আগস্ট বুধবার মহেশখালীতে এতিম খানায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করেছেন ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসাইন। একই দিনে এতিম খানায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং অসহায় রোগীদের মাঝে অর্থ বিতরন করেন।

মহেশখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন ইব্রাহিম এর সাথে।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে মহেশখালী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন ইব্রাহিম সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ করেন। পরে, মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি- সম্পাদক, যুবলীগের সভাপতি সম্পাদক, কৃষকলীগের সভাপতি সম্পাদক সহ মহেশখালীর আওয়ামীলীগের তৃনমূলের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন: পদ প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ

আলোচিত খবরঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হতে যাচ্ছে নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আলোচিত কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে জোরেসোরে কাজ করছে বর্তমান কমিটি। তবে সম্মেলনকে ঘিরে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশীদের বিষয়টি। তারা কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতাকর্মীদের মন জয় করতে নানা কৌশলে চালাচ্ছেন দৌড়ঝখাঁপ। পদপ্রত্যাশীরাই এখন সম্মেলনের ওপিট হয়ে উঠেছে। তাই সম্মেলন প্রস্তুতি আর পদপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ নিয়ে এখন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগে বেশ প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে। সব ছাপিয়ে এখন একটাই আলোচনা বিষয়: কারা হচ্ছে আগামী কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের কান্ডারি।

ছাত্রলীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পদক পদে এক ডজন ছাত্র নেতা আলোচনায় আছেন। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে লড়বে বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইবনে হোসেন ও ইব্রাহীম আজাদ বাবু, শিক্ষা ও পাঠচক্র উপ-সম্পাদক মারুফ আদনান, নারিমা জাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম শাখাওয়াত হোসেন, হোসেন দপ্তর সম্পাদক শাহনিয়াজ ও কেন্দ্রীয় নেতা সরওয়ার আজম।

সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বে বর্তমান কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সভাপতি মঈন উদ্দিন, বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম সাকিল, ক্রীড়া সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন তুর্য্য, প্রচার সম্পাদক আলিফ উজ্জামান শুভ, আপ্যায়ন সম্পাদক কায়সার উদ্দিন রুবেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন খোকন, সদস্য এহেসানুল হক মিলন, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আলী আহম্মদের ছোট ভাই আনোয়ার হোছাইন। তবে দুই পদে সম্মেলন ঘনিয়ে আসতে আসতে আরো পদপ্রত্যাশী বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কাঙ্খিত পদ পেতে পদপ্রত্যাশীসহ অনুগতরা এখন অনেকটা দ্বিধা-বিভক্ত। পদ প্রত্যাশীরা অনেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজাওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং অনেকে সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর আশীর্বাদপুষ্ট বা আনুকূল্য লাভের জন্য ব্যস্ত। এই নিয়ে তারা নানা উপায় অবলম্বন করে চালাচ্ছেন লবিং। এই নিয়ে চালাচ্ছে নির্ঘূম দৌড়ঝাঁপ! ইতোমধ্যে কয়েকজন পদপ্রত্যাশী ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করেছেন। একই সাথে জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান নেতা নানা স্তরের নেতাদের ব্যবহার করেও লবিং চালাচ্ছেন।

এদিকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা চান, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং দলের আর্দশকে ধারণ করে এমন ত্যাগী নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হোক। যাতে তারা কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগকে একটি মডেল ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তবে কোনো অছাত্র, বিবাহিত, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকাসক্ত, মামলার আসামি, চাঁদাবাজ ও দখলবাজসহ নানা অপরাধে জড়িতরা যেন কমিটির নেতৃত্বে না আসতে পারে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ হোসেন তানিম বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকে জেলা কমিটি সম্মেলন ও কাউন্সিল আয়োজনের তৎপরতা শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতি হিসেবে বেশকিছু কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া শোকের মাসে সম্মেলনকে ঘিরে নানা সাংগঠনিক কর্মসূচিও পালন করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, শতভাগ গঠনতন্ত্র মেনে শিক্ষা, বয়স ও চরিত্র মূল্যায়ন করেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন দেয়া হবে। বিএনপি-জামায়াতপুষ্ট এবং গোষ্ঠীগত কাউকে মনোনয়ন দেয়া হবে না। একই সাথে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, মাদকাসক্ত, অছাত্র ও অর্ধশিক্ষিত, বয়স্কদের মনোনয়ন দেয়া হবে না।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় বলেন, ‘ছাত্রলীগের ইতিহাস বাঙালির জাতীয় জীবনে একটি কালজয়ী ইতিহাস। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার ছাত্রলীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল উপহার দিতে সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে জেলা ছাত্রলীগের সর্বশেষ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। তবে সিদ্ধান্তে আসতে না পারায় কমিটি ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। তবে পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি ইশতিয়াক আহমেদ জয়কে সভাপতি এবং ইমরুল রাশেদকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ইমরুল রাশেদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। পরে মোর্শেদ হোসেন তানিমকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি গঠনতন্ত্র মোতাবেক বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এ নিয়ে পরবর্তীতে তৎকালীন সময়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বর্তমান জেলা কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিলের ঘোষণা দিলেও উদ্ভুদ রোহিঙ্গা সংকট এবং জাতীয় নির্বাচনের কারণে সম্ভব হয়নি। তবে কেন্দ্রীয় সংসদ বর্তমান মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানের জন্য ৬০ কার্যদিবস নির্ধারণ করে দিয়ে গত ৯ মে নির্দেশনা দিয়েছিল।

কিন্তু বর্তমান কেন্দ্রীয় সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের ব্যতিব্যস্ততায় এ সময়ের মধ্যেও জেলা কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিল আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে এ নিয়ে গত ৩০ জুলাই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সভায় আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান জেলা কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জেলা ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক প্রার্থী আনোয়ারের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ কক্সবাজারের উখিয়ায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীর সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আনোয়ার হোসাইন।

সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার এই তিন দিনে উখিয়া-টেকনাফ উপজেলার দলীয় কার্যালয় ও বিভিন্ন হাট-বাজার গিয়ে তিনি সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, টেকনাফের সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, টেকনাফের চেয়ারম্যান সোনালীর সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী আনোয়ার হোছাইনের সঙ্গে ছিলেন।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উখিয়া-টেকনাফের উচ্চপদস্ত নেতাকর্মীদের মুখে শুনা যায়, অত্যন্ত মেধাবী এই ছাত্রনেতা তার ব্যক্তিগত ইমেজ সৃষ্টি করে উখিয়ার সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আনোয়ার হোসাইন পারিবারিকভাবেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ বুকে ধারণ ও লালন করেন বলেই তিনি এই অল্প বয়সেই নেতাকর্মীর মধ্যে তিনি এত ভালবাসা অর্জন করতে পেরেছেন।

এ ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ পারিবারিকভাবে হৃদয়ে ধারণ করে বড় হয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের যে সংগ্রাম শুরু হয়েছে, একজন ক্ষুদ্র সমর্থক হিসেবে সেই সংগ্রামে শরিক হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলোচনায় উখিয়ার আনোয়ার

সংবাদদাতাঃ

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন আনোয়ার হোসাইন। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে তিনি কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন।

আনোয়ার হোসাইন উখিয়া উপজেলার ফারিরবিল আলিম মাদরাসা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পালংখালী ইউনিয়নের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম কলেজের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

তার পিতা আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত কর্মী। বড় ভাই ইব্রাহিম আজাদ পালংখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি, মেজ ভাই আলী আহমদ কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আনোয়ার ২০০৫ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। স্কুল জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। আওয়ামী লীগ মতাদর্শের পরিবারে জন্ম নেয়ায় ছোটবেলাতেই ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। জামাত শিবিরের শত চক্রান্তের পরও পিছু হটেননি ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসাইন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করে যাবেন বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন তিনি।

জানতে চাইলে আনোয়ার হোসাইন জানান, জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সভাপতি- সম্পাদক প্রার্থীদের মধ্যে কক্সবাজারের তৃণমূল ছাত্রলীগ থেকে উঠা আসা প্রার্থী আমি। যদি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই তাহলে ছাত্রলীগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করব। কারণ ছোটবেলা থেকেই আমি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতি করে এসেছেন। বিএনপি-জামায়াতের তাণ্ডব, যুদ্ধাপরাধীধের বিচার ইস্যুতে রাজপথে সামনের সারিতে থেকে আন্দোলনে ছিলাম। ভবিষ্যতেও থাকব।

তিনি আরো বলেন, আমি নেত্রীর দেওয়া পাঁচটি নির্দেশনা মনে প্রাণে বুকে ধারন করেছি। যেই নির্দেশনা গুলো নিচে তুলে ধরলাম-

এক. ছাত্র রাজনীতির শুরু থেকেই ছাত্রলীগ করতে হবে। আগে অন্য ছাত্র-সংগঠন করতো এখন ছাত্রলীগ করে, এমন কাউকে শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য বিবেচনা করা হবে না।

দুই. পারিবারিক পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। ছাত্রলীগ নেতার বাবা, মা, ভাই, বোন কি ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তা জানতে হবে। পরিবারের কেউ বিএনপি-জামাত বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকলে, ঐ ছাত্রলীগ কর্মী নেতৃত্বের জন্য বিবেচিত হবে না।

তিন. নেতৃত্বের জন্য বিবেচিত হতে হলে ছাত্রলীগ কর্মীকে নিষ্কলুষ থাকতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের কোনো মামলা কিংবা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা যাবে না।

চার. ছাত্রলীগ নেতা হতে চাইলে তাকে শুধুই ছাত্র হতে হবে। ছাত্র আবার ব্যবসা করে এমন ছাত্রলীগ কর্মী নেতা নির্বাচনে অযোগ্য বিবেচিত হবে। মেধাবী ছাত্ররা অগ্রাধিকার পাবে।

পাঁচ. কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল এমন ছাত্রলীগ কর্মী নেতৃত্বের জন্য বিবেচিত হবে না।

উল্লেখ্য, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের এই মেধাবী ছাত্র, জামাত-শিবিরের আতঙ্ক মেধাবী ও সাহসী ছাত্রনেতা কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোছাইনকে কক্সবাজার জেলার ছাত্রসমাজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই।

Design a site like this with WordPress.com
Get started